”Shaheen DoX- শাহীন ডক্স”

Latest Post

রাতটা আজও অদ্ভুত নীরব। জানালার বাইরে আলো ঝলমলে শহর, উঁচু দালান, ব্যস্ত রাস্তা — সবকিছু যেন জীবন্ত। কিন্তু আমার ভেতরটা ঠিক তার উল্টো, নিঃশব্দ, ক্লান্ত, শূন্য। এই শহর আমাকে চেনে না, আমিও তাকে চিনি না। তবুও প্রতিদিন এই অচেনা শহরের ভিড়েই নিজেকে হারিয়ে ফেলি, আবার খুঁজে পাই — কিন্তু পুরোটা নয়, কিছুটা কম, কিছুটা ভাঙা।
প্রবাস জীবনটা বাইরে থেকে যত সহজ মনে হয়, ভেতরে ততটাই কঠিন। এখানে কেউ আপনার কষ্ট দেখে না, কেউ আপনার রাত জাগা চোখের নিচের কালি খেয়াল করে না। শুধু কাজ, কাজ আর কাজ। সকাল থেকে রাত — একটা নির্দিষ্ট ছকে বাঁধা জীবন। নিজের জন্য সময় বলতে কিছু নেই, নিজের ইচ্ছা বলতে কিছু নেই। সবকিছুই যেন দায়িত্বের বোঝার নিচে চাপা পড়ে যায়।
মাঝে মাঝে খুব ইচ্ছে করে — হুট করে সব ছেড়ে চলে যাই। ফিরে যাই সেই চেনা শহরে, সেই চেনা গলিতে, যেখানে প্রতিটা মুখ পরিচিত, প্রতিটা হাসি আপন। যেখানে মা ডেকে বলে "খেয়ে নাও", যেখানে বাবার কণ্ঠে শক্তি আছে, যেখানে সন্তানের ছোট ছোট আবদারগুলোই ছিল জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দ। কিন্তু বাস্তবতা এত সহজ না। এই দূরত্ব, এই ত্যাগ — সবই তো একটা ভবিষ্যতের জন্য, একটা ভালো দিনের আশায়।
প্রতিদিন রাতে ফোনটা হাতে নিই। ভিডিও কলে দেখি প্রিয় মুখগুলো। মেয়ের হাসি, স্ত্রীর কণ্ঠ, মায়ের মমতা — সবকিছু স্ক্রিনে আটকে থাকে। ছুঁতে পারি না, কাছে নিতে পারি না। শুধু শুনি — "কবে আসবা?" এই প্রশ্নটা যেন বুকের ভেতর ছুরি হয়ে বিঁধে থাকে। উত্তর থাকে না, শুধু একটা মিথ্যা আশ্বাস দিতে হয় — "শিগগিরই আসবো।"
এখানে কাঁদারও সময় নেই। চোখে পানি আসলেও তা মুছে ফেলতে হয়, কারণ এই দেশে দুর্বলতা দেখানোর সুযোগ নেই। এখানে সবাই নিজের লড়াইয়ে ব্যস্ত। সবাই হাসে, কিন্তু সেই হাসির পেছনে লুকিয়ে থাকে হাজারো না বলা গল্প, হাজারো চাপা কান্না।
কাজের জায়গাটাও একরকম যুদ্ধক্ষেত্র। প্রতিটা দিন নতুন চ্যালেঞ্জ, নতুন চাপ। শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে, কিন্তু থামার সুযোগ নেই। কারণ থামলেই পিছিয়ে পড়তে হবে। আর পিছিয়ে পড়ার ভয়টাই সবচেয়ে বড় ভয় — এই ভয়ের সাথেই প্রতিদিন যুদ্ধ করি, নিজের সাথে, পরিস্থিতির সাথে।
অনেক সময় মনে হয় — আমি কি সত্যিই বেঁচে আছি? নাকি শুধু দিন পার করছি? এই যন্ত্রের মতো জীবন কি আসলেই জীবন? যেখানে হাসি আছে কিন্তু আনন্দ নেই, যেখানে ঘুম আছে কিন্তু শান্তি নেই, যেখানে টাকা আছে কিন্তু ভালোবাসার স্পর্শ নেই।
প্রবাসে টাকা আসে, কিন্তু তার সাথে সাথে অনেক কিছু হারিয়েও যায়। হারিয়ে যায় নিজের মানুষদের সাথে কাটানো মুহূর্তগুলো, হারিয়ে যায় উৎসবের আনন্দ, হারিয়ে যায় নিজের শিকড়ের টান। ঈদের দিন যখন সবাই নতুন কাপড় পরে নামাজে যায়, একসাথে খায়, হাসে — আমি তখন দূরে বসে শুধু দেখি। মনে হয়, আমি যেন সেই গল্পের বাইরে থাকা একটা চরিত্র।
বন্ধুদের কথাও খুব মনে পড়ে। সেই আড্ডা, সেই হাসি, সেই নির্ভেজাল সময়গুলো। এখানে বন্ধুত্বও যেন হিসেব করে হয়। সময়ের অভাব, ব্যস্ততা — সবকিছু মিলিয়ে সম্পর্কগুলোও ফিকে হয়ে যায়।
রাতে যখন কাজ শেষে ঘরে ফিরি, তখন ঘরটা আরও বেশি খালি লাগে। চারপাশে সবকিছু আছে — বিছানা, টেবিল, আলো — কিন্তু মানুষ নেই। সেই শূন্যতা গিলে খেতে থাকে। টিভি চালাই, মোবাইল স্ক্রল করি — কিন্তু কিছুতেই মন বসে না। কারণ মনটা তো পড়ে আছে হাজার মাইল দূরে, আপন মানুষের কাছে।
মাঝে মাঝে খুব ভয় লাগে — এইভাবে কতদিন চলবে? এই একাকীত্ব, এই ক্লান্তি — সবকিছু সহ্য করার শক্তি কতদিন থাকবে? নিজেকে বোঝাই, "আর একটু, আর কিছুদিন" — কিন্তু সেই "কিছুদিন" কখন শেষ হবে, জানি না।
অনেক সময় নিজের কাছেই প্রশ্ন করি — আমি কি বদলে যাচ্ছি? এই কঠিন জীবন কি আমাকে কঠিন করে দিচ্ছে? আগে যেসব ছোট ছোট জিনিসে খুশি হতাম, এখন সেগুলো আর তেমন লাগে না। অনুভূতিগুলোও যেন ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে।
তবুও স্বপ্ন দেখি। একটা ছোট ঘর, যেখানে সবাই একসাথে থাকবো। সকালে ঘুম ভাঙবে প্রিয় মুখগুলো দেখে, রাতে ঘুমাবো তাদের সান্নিধ্যে। কোনো দূরত্ব থাকবে না, কোনো কষ্ট থাকবে না। এই স্বপ্নটাই আমাকে বাঁচিয়ে রাখে, প্রতিদিন নতুন করে লড়াই করার শক্তি দেয়।
তবুও কিছু মুহূর্ত আসে, যখন হঠাৎ করে মন ভালো হয়ে যায়। হয়তো কোনো পরিচিত গান শুনে, হয়তো কোনো পুরোনো ছবি দেখে। তখন মনে হয়, এখনও সব শেষ হয়ে যায়নি — এখনও ভেতরে কোথাও একটা আলো আছে, একটা আশা আছে।
এই আশাটাই আমাকে টেনে রাখে। প্রতিটা কষ্ট, প্রতিটা ত্যাগ — সবকিছুর পেছনে একটা কারণ আছে। সেই কারণটা হলো পরিবার, ভালোবাসা, ভবিষ্যৎ। তাদের জন্যই তো এই সব সহ্য করা, এই সব লড়াই করা।
কখনো কখনো খুব ইচ্ছে করে, কেউ এসে বলুক — "তুমি অনেক কিছু সহ্য করেছো, এবার একটু বিশ্রাম নাও।" কেউ যদি একটু বুঝতো, একটু পাশে দাঁড়াতো — তাহলে হয়তো এই পথটা একটু সহজ হতো।
প্রবাস জীবনটা আসলে এক ধরনের নীরব যুদ্ধ। এখানে কেউ তালি দেয় না, কেউ পুরস্কার দেয় না। শুধু নিজের সাথে নিজের লড়াই। প্রতিটা দিন, প্রতিটা মুহূর্ত — নিজেকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা।
শেষ পর্যন্ত একটা কথাই সত্য — প্রবাসীদের জীবনটা গল্পের মতো না, এটা বাস্তবের কঠিন এক অধ্যায়। এখানে প্রতিটা হাসির পেছনে লুকিয়ে থাকে কষ্ট, প্রতিটা সাফল্যের পেছনে থাকে ত্যাগ। আর এই ত্যাগের গল্প কেউ পুরোটা জানে না, কেউ পুরোটা বোঝে না।
শুধু একজন প্রবাসীই বুঝতে পারে — কতটা কষ্ট নিয়ে সে হাসে, কতটা ব্যথা নিয়ে সে বাঁচে। আর সেই বেঁচে থাকার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে তার সবচেয়ে বড় সাহস, সবচেয়ে বড় সংগ্রাম, সবচেয়ে বড় ভালোবাসা।


*খাদ্য চাহিদাঃ

১)২টা গাভী।
২)৬টা মুরগী ১টা মোরগা।
৩)২বিঘা জমি ধান চাষ।
৪)একটা পুকুর।
৫)সবজি আঙিনা চাষ।

*বস্ত্র চাহিদা(উৎপাদন)ঃ

১)সেলাই ম্যাশিন(ম্যানোয়াল)।

*আদর্শ বাসস্থানঃ

১)বাড়ি সীমানা বেড়া/প্রাচীর দিয়ে ঘিরে দেয়া।
২)বাড়িতে উঠান রাখা।
৩)বাড়ির আঙ্গিনায় হালকা পাঁচ মিশালী সবজি চাষের ব্যাবস্থা করন।
৪)বাড়িতে টিউবয়েল স্থাপন/কুপ/হাউজ স্থাপন।
৫)সৌর বিদ্যুৎ শক্তি ও বায়োগ্যাস ব্যাবহার করা যেতে পারে।

*চিকিৎসাঃ

১)ফাস্ট এইড বক্স।
২)ঔষধি গাছ রোপন ও প্রয়োগ।
৩)নানা ঔষধি বই ও ম্যাটারিয়াল সংরক্ষন।
৪)কমন কিছু অসুস্থতা, যেমনঃ জ্বর, সর্দিকাশি,হাত,পা,বুক,মাথা ও শরীর ব্যাথা,কাটাছেড়া,চর্ম,চুলকানি এবং ঘাঁ ও ফোঁড়া ও গোটা ইত্যাদি বিষয়ের প্রাকৃতিক শুশ্রূষাময় প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি জেনে রাখা।

*শিক্ষাঃ

১)পারিবারিক লাইব্রেরী।
২)পারিবারিক হালাকা পয়েন্ট(যেখানে পারিবারিক ভাবে ইলম অর্জনের বা ইলম শেয়ারের ব্যাবস্থা থাকবে)
৩)মাদ্রাসা নির্মান।(সামাজিক ভাবে কয়েকটি পরিবার মিলে)।

ভারত বর্ষের সর্ব্বোচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি!!
বলতে গেলে, তিনিই পৃথিবীর সবচেয়ে শিক্ষিত ব্যাক্তি!! 

পয়সার গরম তো জীবনে অনেক দেখলেন । কিন্ত বিদ্যার এমন গরম দেখেছেন না শুনেছেন কখনও? সবটা শুনলে মাথা ঝিমঝিম করবে, হাত পা’ও অবশ হয়ে যেতে পারে বৈকি।এক জীবনে এত পড়াশোনা কোন রক্ত মাংসের মানুষ করতে পারে, না পড়লে বিশ্বাস হবে না।তাও আবার সেই ভদ্রলোক যদি ভারতীয় হন !!

মারাঠি এই ভদ্রলোকের নাম ‘শ্রীকান্ত্ জিচকার’।

পড়াশোনার কেরিয়ারটা একবার হাল্কা করে চোখ বুলিয়ে নিন শুধু , তাহলেই মালুম পড়বে ভদ্রলোক কি কাণ্ডটাই না করেছেন।

১.জীবন শুরু MBBS, M.D দিয়ে।

২.এরপর L.L.B করলেন।সাথে করলেন ইন্টারন্যাশানাল ল-এর ওপর স্নাতকোত্তর।

৩.এরপর বিজনেস ম্যানেজমেন্ট এর ওপর ডিপ্লোমা,সাথে M.B.A ।

4. এরপর জার্নালিজম নিয়ে স্নাতক।

এতদূর পড়ার পর আপনার যখন মনে হচ্ছে লোকটা পাগল নাকি,তখন আপনাকে বলতেই হচ্ছে এ তো সবে কলির সন্ধ্যে । এখনো গোটা রাত বাকি।

এই ভদ্রলোকের শুধু স্নাতকোত্তর ডিগ্রীই আছে দশটা বিষয়ের ওপর! স্নাতকোত্তরের বিষয়ের তালিকাটা একবার দেখুন খালি-

১.পাবলিক আ্যডমিনিস্ট্রেশন

২.সোশিওলজি

৩.ইকোনমিক্স

৪.সংস্কৃত(ডি.লিট)

৫.হিস্ট্রী

৬.ইংলিশ

৭.ফিলোসফি

৮.পলিটিক্যাল সায়েন্স

৯.এনসিয়েন্ট ইন্ডিয়ান হিস্ট্রী, কালচার,এন্ড আর্কেওলজি

১০.সাইকোলজি

ওপরের যতগুলো বিষয় দেখছেন সব ক’টিতেই প্রথম শ্রেণীর সঙ্গে স্নাতকোত্তর, এবং ২৮টি স্বর্ণপদক বিজয়ী।সব মিলিয়ে ১৯৭৩ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত প্রতি গ্রীষ্মে ও প্রতি শীতেই উনি কোনো না কোন স্নাতকোত্তরের বিষয়ের পরীক্ষা দিয়ে গেছেন।

মাথা ঝিমঝিম করছে তো!তা মাথার আর দোষ কি বলুন!তবে মাথা ঘুরে পড়ে যাবার আগে একবারটি শুধু শুনে যান।এতসব পড়তে পড়তে ওনার যখন একঘেয়েমি লাগছিল,ঠিক করলেন এবার একটু স্বাদ বদলানো যাক! তো স্বাদ বদলাতে আমি আপনি বেড়াতে যাই,আর উনি “আই.পি.এস(IPS)” পরীক্ষায় বসলেন আর পাশ করলেন।সেটা ১৯৭৮ সাল।কিন্তু পোষালো না চাকরীটা।চাকরীটা ছেড়ে দিয়ে বসলেন “আই.এ.এস(IAS)” পরীক্ষায়।১৯৮০ তে “আই.এ.এস(IAS)” হলেন।

নটে গাছটা তাহলে মুড়োলো শেষ অবধি।আজ্ঞে না মুড়োয় নি এখনো।চারমাসের মধ্যে “আই.এ.এস(IAS)” এর চাকরীটাও ছেড়ে দিলেন মহারাষ্ট্রের বিধান সভা ভোটে লড়বেন বলে।১৯৮০ তে উনি যখন বিধায়ক নির্বাচিত হলেন তখন ওনার বয়স সবে ২৫।উনি হলেন ভারতের সবচেয়ে কমবয়সী বিধায়ক।সবই হল যখন তখন মন্ত্রী হওয়াটাই বা আর বাকী থাকে কেন!সেটাও হলেন এবং একটা দুটো দপ্তরের নয়,একেবারে ১৪ টা দপ্তরের।১৯৯২ সাল নাগাদ রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হলেন।

ওনার এই ‘সামান্য’ কয়েকটি গুণ ছাড়াও তিনি

অসাধারণ চিত্রশিল্পী,

পেশাদার ফটোগ্রাফার,

মঞ্চাভিনেতা,

সখের বেতার চালক

ও জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন।সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ ও ইউনেস্কোতে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

ব্যক্তিগত সংগ্রহে ৫২০০০ বই রয়েছে ওনার। ‘লিমকা বুক অফ রেকর্ডস’ ওনাকে “ভারতবর্ষের সবথেকে শিক্ষিত ব্যক্তি”র শিরোপা দিয়েছে।১৯৮৩ তে উনি ‘বিশ্বের অসামান্য দশজন তরুণ’ হিসেবে নির্বাচিত হন।

২০০৪ এ পথ দুর্ঘটনায় ওনার মৃত্যু হয়। বয়স হয়েছিল ৪৯

নতুন দলিল লিখতে ক্রেতা বা গ্রহিতার যে বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরী...
সম্পত্তির দলিল লেখার জন্য ‘দলিল লেখক' এর কাছে দায়িত্ব দিয়েই ক্রেতার দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। কেননা পরবর্তীতে দলিলে ভুল পরিলক্ষিত হলে দলিল লেখক নয় এর মাশুল গুনতে হবে ক্রেতাকেই। তাই এতে ক্রেতার সচেতনতা আবশ্যক। সম্পত্তির দলিল লেখার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে ক্রেতার লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন:

১। দলিল সম্পাদনকারী তথা জমি দাতা (বিক্রেতা) আইনের দৃষ্টিতে সাবালক ও সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন কি না,  আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত কি না তা যাচাই করে নিতে হবে৷

২। দলিলের ধরন যেমন- (ক) সাফ কবলা (খ) বায়না পত্র (গ) দানপত্র (ঘ) হেবার ঘোষনাপত্র ইত্যাদি খেয়াল করতে হবে৷

৩। ক্রেতা যে জমিটি কিনতে যাচ্ছেন সেই প্রস্তাবিত জমির পরিমাণ, বিক্রয় মূল্য (বায়না দলিল হলে বায়নায় পরিশোধিত টাকা এবং  বাকী টাকা) ইত্যাদি দেখে নিতে হবে।

৪। পক্ষ পরিচয় তথ্য যেমন- দলিল গ্রহীতা/প্রথম পক্ষ, দলিল দাতা/দ্বিতীয় পক্ষ, উভয় পক্ষের পূর্ণ নাম, ঠিকানা, পেশা, ধর্ম ইত্যাদি। দলিল গ্রহীতার ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র এবং দাতার ক্ষেত্রে আগত খতিয়ান (সর্বশেষ জরিপ/নামজারি খতিয়ান) এর সাথে মিল রেখে নাম ঠিকানা লেখা হয়েছে কি না দেখতে হবে।

৫। স্বত্ত্বের বর্ণনা যেমন- জমি দাতার মালিকানার ভিত্তি, দলিল মূলে হলে পূর্বের দলিলের নম্বর ও তারিখ, পর্চা/খতিয়ান নম্বর ইত্যাদি৷

৬। জমির বিক্রেতা যদি জমিটি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়ে থাকে তাহলে মূল মালিকের সাথে বিক্রেতা যোগসূত্র/সম্পর্ক সঠিক আছে কিনা তা জেনে নিতে হবে৷

৭। দলিলে প্রস্তাবিত জমির তফশিল যেমন- জেলার নাম, উপজেলার নাম, রেজিস্ট্রি অফিসের নাম, মৌজার নাম, জেএল নম্বর, দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর এবং জমির শ্রেণি আগত খতিয়ানের সাথে মিল আছে কি না দেখে নিতে হবে। জমির তফশিল লেখার সময় প্রত্যেক দাগে মোট জমির পরিমাণ কত এবং অত্র বিক্রয় দলিলে উক্ত দাগের মধ্যে কত একর বা শতাংশ জমি বিক্রয় করা হচ্ছে তা প্রতি ক্ষেত্রে লিখে নিতে হবে৷ তবে উল্লেখ্য যে, কোন অবস্থাতেই কয়েকটি দাগের জমি একত্রে যোগ করে একর/শতাংশ লেখা উচিত হবে না৷

৮। ক্রেতা যে জমিটি ক্রয় করতে চাচ্ছে সেই জমিটির চৌহদ্দি ঠিক আছে কি না অর্থাত্‍ উত্তর, দক্ষিণ পূর্ব, পশ্চিম পাশের জমির বর্ণনা সহ মালিকের নাম উল্লেখ করতে হবে৷

৯। জমি বিক্রেতা বা দলিল দাতা দলিলের ১ম পৃষ্ঠার উপরের ডান পাশ্বের নীচ থেকে উপরের দিকে তার নিজ নাম স্বাক্ষর করবেন অথবা নিরক্ষর হলে নিজ নামের উপরে টিপ সহি প্রদান করেছেন কি না তা দেখতে হবে৷ এছাড়াও জমি বিক্রেতা বা দাতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নীচে স্বাক্ষর বা টিপ সহি করবেন৷ তবে দলিলের প্রতি পৃষ্ঠায় দাতার স্বাক্ষর  বা টিপ সহি দিলে ভালো হয়৷

১০। জমির বিক্রেতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নীচে যে জায়গায় তার নিজ নাম স্বাক্ষর বা টিপ সহি করেছেন ঠিক তার নীচে উক্ত দলিলটির লেখক তার নাম স্বাক্ষর করবেন। এরপর  কমপক্ষে ২ জন সাক্ষী এবং অপর একজন  জমির বিক্রেতাকে সনাক্ত করে সনাক্তকারী হিসাবে স্বাক্ষর করবেন।

১১। দলিলে যতদূর সম্ভব কাটাকাটি, ঘষামাঝা, অষ্পষ্টতা এড়াতে হবে তবুও যদি কোনরূপ ভুল ক্রটি ঘষামাঝা কাটাকাটি হয়েও যায় তাহলে সেক্ষেত্রে উক্ত কাটাকাটি বা ঘষামাঝা যুক্ত লাইন ও শব্দের ক্রম উল্লেখ করে দলিলের শেষাংশে কৈফিয়ত লিখে দলিল লেখককে তার নীচে স্বাক্ষর করতে হবে৷

এছাড়াও জমির ক্রেতাকে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে- বিভিন্ন জরিপের দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর যাতে দলিল লেখকের মাধ্যমে সঠিকভাবে লিখানো হয়৷ এজন্য জমির ক্রেতাকে জমি ক্রয় করার পূর্বেই তহসিল অফিস হতে জমির সঠিক দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর জেনে নিতে হবে৷ প্রয়োজনে খতিয়ানের সইমোহর নকল সংগ্রহ করতে হবে।

যেকোনো সময় প্রয়োজন হতে পারে তাই শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রেখে দিন এবং অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন। ধন্যবাদ। ©

আল্লাহ তা'আলা যাকে অপছন্দ করেন তাকেও অঢেল ধন সম্পদ দান করেন। আর যাকে পছন্দ করেন তাকে দান করেন হিকমাহ।

যাকে হিকমাহ দান করা হয় তার ভিতরে থাকে সাকিনা। আরবি সাকিনা শব্দের অর্থ শান্ত, প্রশান্ত, ধীর, স্থির।

টেবিল ভর্তি খাবার অথচ প্রত্যেকটা খাবারে আপনি দোষ খুঁজে পাচ্ছেন, পেট ভরে খেতে পারছেন না। কেননা আপনাকে সম্পদ দান করা হয়েছে, হিকমাহ দেয়া হয়নি যে কারণে আপনার ভিতর সাকিনা নেই।

আপনাকে হিকমাহ দেয়া হয়েছে যে জন্যে আলু ভর্তা আর ডাল দিয়েও পরম প্রশান্তি নিয়ে পেট ভরে খেয়ে উঠে বলে উঠবেন আলহামদুলিল্লাহ।

উচ্চশিক্ষিতা সুন্দরী স্ত্রী পেয়েও আপনি তাকে নিয়ে সুখী নন, কারণ আপনাকে হিকমা দেয়া হয়নি।

টয়োটা এলিয়নে চড়েও আপনি সুখী নন, আপনার কেন পাজেরো নাই? এর কারণ আপনার মাঝে হিকমাহ নাই, সাকিনা উঠে গেছে। আপনি আপনার অবস্থানে সুখী নন।

আরবি হিকমা শব্দের অর্থ প্রজ্ঞা। যাকে আল্লাহ তা'আলা হিকমা দান করেন সে সর্ব অবস্থায় সন্তুষ্ট থাকে, শান্তিতে থাকে। এর অর্থ নিজেকে মানিয়ে চলা এবং তাতে সন্তুষ্ট থাকা।

রিজিক শব্দের অর্থ অনেক ব্যাপক।
■▪রিযিকেরর সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।
■▪রিযিক এর সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।
■▪রিযিকের সর্বোত্তম স্তর হচ্ছেঃ পুণ্যবান স্ত্রী এবং পরিশুদ্ধ নেক সন্তান এবং 
■▪রিযিক এর পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।  

■■ রিযিক খুব গভীর একটি বিষয়, যদি আমরা তা বুঝতে পারি। 

■■ আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত এবং কতটা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করবো তাও লিখিত বা নির্দিষ্ট।

■■ আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা বা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না এবং একটিও বেশি না। 

■■ ধরুন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে এক কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তা'আলা নিয়েছেন। 

■■ কিন্তু, আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার। 

■■ যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তা'আলার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই এক কোটি টাকা আয় করেই আমি মারা যাবো। আর হারাম উপায়ে হলেও ওই এক কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!

■■ আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ  বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল ধরেছে তখনই নির্ধারিত হয়েছে যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি বা কিনেনি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিযিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে। 
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না! রিযিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না। 

■■ রিযিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী! 

■■ কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিযিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তা'ইলা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!

■■ কেউ কারওটা খাচ্ছে না, যে যার রিযিকের ভাগই খাচ্ছেন। 

■■ আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি, সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্‌ তা'আলার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি। কেননা,
আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
-------"দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।"
-----(সুরা হুদ : আয়াত ৬)

■■ আল্লাহ তা'আলা অন্যত্র বলেনঃ
-------"যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিযিক দেবেন, যা সে ধারণাও করতে পারবে না।"
-----(সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)

■▪মহান আল্লাহ্‌ তা'আলা আমাদের সঠিক পথ এবং  হালাল ও প্রশস্ত কামাই রোজগার ও রিযিক এর ব্যবস্থা করে দিন এবং সকল প্রকার হারাম কামাই রোজগার ও রিযিক থেকে হিফাযত করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন,   এবং হিফাযত করুন(আমীন)

“গুনে গুনে ৮টা চুল ওয়ালা একটা লোককে গতকাল সেলুনে দেখলাম। সেলুনে যেহেতু মোটামুটি কাস্টমার ছিল তাই নাপিত মহাশয়ের তখন মেজাজ খারাপ। লোকটি চুলের দিকে ইঙ্গিত করতেই নাপিত জানতে চাইলেন, কী ভাই, কাটবো না গুনবো?
লোকটি তখন হেসে উত্তর দিলেন, নারে ভাই ওইসব না, চুলগুলো রাঙ্গিয়ে দিন প্লিজ।

সেলুনের সবাই একটু মজা নিলেও আমি মোটেও মজা পাইলাম না কারন আমার কাছে '"জীবন উপভোগ করার বিষয়'"। তাই জীবনে যতটুকু আছে তা নিয়েই হাসিমুখে উপভোগ করতে হয়। কোন একটা ক্লাসে আমার শিক্ষক একবার বলেছিল যাদের মাথায় চুল কম তাদের পকেটে চিরুনি থাকে কেননা "" হারিয়ে খুঁজি তাকে" ছন্দটি ওনার জন্যই প্রযোজ্য।

আসল কথায় আসি, যদি আপনি কখনো STRESSED ফিল করেন তবে সবকিছু থেকে সাময়িক বিরতি নিবেন, আইস্ক্রিম, চকলেট, মিস্টি, বগুড়ার দই, টাঙ্গাইলের চমচম, পেস্ট্রি বা ফালুদা দিয়ে নিজেকে আপ্যায়িত করবেন।

এখন জানতে চাইতে পারেন কেন?

STRESSED শব্দটাকে উল্টো করে লিখে দেখুন উত্তরটা পেয়ে যাবেন, STRESSED কে উল্টো করে লিখলে সেটা DESSERTS ই হয়।

আপনি কি কখনও ইংরেজি বর্ণমালা নিয়ে ভেবে দেখেছেন,  যদি না ভাবেন তবে দেখে নিন ইংরেজি বর্ণমালা আপনাকে কী পরামর্শ দিচ্ছেঃ

১. A B C = Avoid Boring Company =বিরক্তিকর সহচার্য এড়িয়ে চলুন। 

২. D E F =Don't Entertain  Fools = মূর্খদের গুরুত্ব দিবেন না। 

৩. G H I = Go for a High Idea = উচ্চ ধারণার খোঁজ করুন ।

৪. J K L M = Just keep a friend like Me = নিজের মতো বন্ধু বানান।

৫. N O P = Never Overlook the Poor= দরিদ্র এবং পীড়িতদের কখনো অবজ্ঞা করবেন না। 

৬. Q R S = Quit Reacting to Silly tales= অযথা বাজে কথায় প্রতিক্রিয়া দেখাবেন না। 

৭. T U V = Tune Yourself (Urself) for your Victory = নিজেকে বিজয়ের জন্য প্রস্তুত করুন। 

৮. W X Y Z = We Expect (Xpect) You to Zoom ahead in life = আমরা আশা করি তুমি জীবনে এগিয়ে যাবে। 

চাঁদের দিকে তাকালে  আপনি স্রষ্টার তৈরী সৌন্দর্য দেখতে পাবেন। সুর্যের দিকে তাকালে আপনি  স্রষ্টার শক্তিমত্তা দেখতে পাবেন। আর আয়নার দিকে তাকালে আপনি স্রষ্টার সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি দেখতে পাবেন। তাই সবসময় নিজের উপরে আস্থা এবং বিশ্বাস রাখবেন।

জীবনের লক্ষ যদি এমন হয় তবে কেমন হবে  ৯৮৭৬৫৪৩২১০

৯ = প্রতিদিন ৯ গ্লাস পানি পান করুন।
৮ = প্রতিদিন ৮ ঘন্টা ঘুমান।
৭ = পরিবার নিয়ে ৭ আশ্চর্য ঘুরে আসুন।
৬ = ৬ ডিজিটের আয় রোজগার করুন। 
৫ = ৫ কর্ম দিবসের সপ্তাহ তৈরি করুন। 
৪ = ৪ চাকার একটি গাড়ি কিনুন। 
৩ = ৩ বেড রুমের একটা ফ্লাট কিনুন।
২ = ২  টা ফুটফুটে বাচ্চার অভিভাবক হন।
১ = ১ প্রেয়সী গড়ুন। 
০ =  দুশ্চিন্তাকে শুন্যের কোটায় নামিয়ে ফলুন।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget