প্রয়োজনীয় টুকিটাকি ১০০টি টিপস; জেনে রাখুন:-
১। অনেকদিন বন্ধ থাকা বা অব্যবহৃত ঘর খুললে একটা
ভ্যাপসা গন্ধ বের হয়। দু-তিনটে দেশলাই কাঠি
জ্বালালে দু-তিন মিনিটের মধ্যে ঘর থেকে গন্ধ চলে
যাবে।
২। চিনির পাত্রের মধ্যে দু-চারটি লবঙ্গ দিয়ে রাখলে
পিঁপড়ে ঢুকবে না।
৩। চশমা ঝকঝকে পরিষ্কার রাখতে হলে এক ফোঁটা
ভিনিগার দিয়ে কাঁচ পালিশ করুন।
৪। কাঠের আসবাবপত্র ঠাণ্ডা চা-পাতা ফোটানো জল
দিয়ে পালিশ করুন। ঝকঝকে হয়ে উঠবে।
৫। ফ্রিজের গায়ে দাগ ধরে গেলে স্পঞ্জে টুথপেস্ট
লাগিয়ে ঘষুন। দাগ উঠে যাবে।
৬। ফ্লানেলের টুকরো গ্লিসারিনে ভিজিয়ে দাগধরা
জানালার কাঁচে ঘষুন। কাঁচ ঝকঝক করবে। কাঠ বা
স্টিলের টেবিলে ঘষুন। সেখানকার দাগ উঠবে।
৭। জানালা, দরজার কাঁচ ঝকঝকে করে তুলতে মিহি চক
গুঁড়োর সঙ্গে জল আর স্পিরিট অথবা কেরোসিন মিশিয়ে
কিছুক্ষণ কাঁচের ওপর মাখিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে
খবরের কাগজ দিয়ে মুছে নিন।
৮। ডিটারজেন্টের সঙ্গে একটা লেবুর রস ও এক চামচ
ফিনাইল মিশিয়ে বাথরুমের টাইলস ঘষে দেখুন, কেমন
ঝকঝক করে।
৯। হাতব্যাগের ধাতব অংশগুলিতে ন্যাচারাল কালারের
নেলপালিশের এক প্রস্থ প্রলেপ দিয়ে রাখুন। সহজে
বিবর্ণ হবে না।
১০। ছোট্ট একটুকরো ফ্লানেল বা কম্বলের কাপড়ে
পাতিলেবুর রস মাখিয়ে চামড়ার ব্যাগ বা স্যুটকেশে
ঘষলে। চামড়ার ঔজ্বল্ল্য বাড়বে।
১১। ঘরে চড়ুই পাখি বাসা বাঁধতে চায়। যদি চড়ুই পাখি
তাড়াতে চান তাহলে ঘরের দরজা জানালা বন্ধ করে দু-
চার টুকরো কর্পূর জ্বালিয়ে দিন। আর ঘরমুখো হবে না।
১২। গ্যাসস্টোভের বার্নারে ময়লা ঢুকে গেলে বাড়িতে
পরিষ্কার করার সহজ উপায় হল অ্যালুমিনিয়াম স্টিল বা
লোহার বালতিতে ফুটন্ত জল ঢেলে তাতে দু টেবিল চামচ
ড্রেনেক্স (Drainex) পাউডার গুলে বার্নার দুটি তার মধ্যে
দু ঘণ্টা ডুবিয়ে রাখুন। জলে ঝাঁপিয়ে ঝাঁপিয়ে ধুয়ে নিন।
১৩। গরম পোশাক বা সিল্কের পোশাক ধোওয়ার পর যদি
ইউক্যালিপটাস তেল মেশানো জলে ডুবিয়ে নেন তাহলে
পোকায় কাটার ভয় থাকবে না। পোশাকের ঔজ্বল্ল্য
বাড়বে। এক বালতি জলে তেলের পরিমাণ হবে দু-টেবিল
চামচ।
১৪। উলের পোশাক ধোওয়ার পর এক বালতি জলে আধ
চামচ গ্লিসারিন দিয়ে তাতে ডুবিয়ে নিন। পোশাকের
নরম ভাব বজায় থাকবে।
১৫। বাচ্চাদের জামাকাপড় বা কাঁথায় যদি তার বমির
দুর্গন্ধ থেকে যায়, তবে কাচার পর জলে আধ চামচ
বেকিং সোডা মিশিয়ে তাতে জামাকাপড় ডুবিয়ে
নেবেন। দুর্গন্ধ দূর হবে।
১৬। ইস্ত্রি করার সময় কাপড়ে যে জল ছেটান তাতে
কয়েক ফোঁটা পারফিউম ফেলে দিন। ইস্ত্রি হওয়া গোটা
কাপড়টি সুগন্ধ ধরে রাখবে।
১৭। সুগন্ধির শিশি সবসময় তুলো বা কাপড়ে জড়িয়ে
রাখবেন। তাতে সুগন্ধি ঢের বেশি দিন টিকবে।
১৮। ফ্লাক্সের ভেতরে অংশ ভালভাবে ধুতে হলে
ফ্লাক্সে গরম জল ভর্তি করুন। তাতে কয়েক টুকরো কাগজ
ফেলে দিন। ঘণ্টাখানেক পর ভাল করে ঝাঁকিয়ে নিয়ে
জল ফেলে দিন। ভেতরের যাবতীয় নোংরা পরিষ্কার
হয়ে যাবে।
১৯। অনেক সময় ভ্যাকুয়াম ফ্লাক্স দীর্ঘ ব্যবহারের জন্য
দুর্গন্ধ হয়। একটি ডিমের খোলা ভেঙে ফ্লাক্সের মধ্যে
ফেলুন।
২০। কিছু কিছু অলংকারের তীক্ষ্ণ বা ধারালো প্রান্তের
খোঁচায় পোশাক ছিঁড়ে যায় বা সুতো উঠে যায়। সেইসব
ধারালো অংশে ন্যাচারাল নেলপালিশ লাগিয়ে দিন।
খোঁচা লাগবে না।
২১। কাঠের ওপর বাচ্চারা আঁকিবুঁকি কাটলে তা তুলতে
সিগারেটের ছাই খুব ভাল। সিগারেটের ছাই পাতলা
কাপড়ে নিয়ে ঘষে ঘষে তোলা যাবে। একই কাজ হবে
কেরোসিন দিয়ে।
২২। সিল্কের শাড়ি বা পোশাকে মাড় দিতে হলে, মাড়ের
সঙ্গে একটু পাতলা আঠা গুলে নেবেন। পোশাক শুকিয়ে
খটখটে করে ইস্ত্রি করবেন। সিল্ক ঝকঝক করবে।
২৩। পঞ্চাশ গ্রাম সাবুদানা জলে ফুটিয়ে স্বচ্ছ করে
ছেঁকে নিন। ঠাণ্ডা করে তাতে দু-টেবিল চামচ সাদা
ভিনিগার মেশান। এবার এই মিশ্রণটি একটি খালি স্প্রে
বটলে ভরে রাখুন। এই তরল ছিটিয়ে ছিটিয়ে ইস্ত্রি করলে
তা মাড়ের কাজ করবে। পোশাক নিভাঁজ হবে।
২৪। হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে বর্ষার জুতো, ছোটখাটো
জামাকাপড় শুকিয়ে নেওয়া যায়।
২৫। বাচ্চাকে স্নান করানোর আগে নীচে তোয়ালে
পেতে নেবেন। বাচ্চা হড়কে যাবে না। বসেও আরাম
পাবে।
২৬। স্টিলের বাসন থেকে কোম্পানির নাম লেখা
স্টিকারটি তোলা এক ঝামেলা। পাত্রের স্টিকার
লাগানো অংশের উল্টোপিঠটা তাতিয়ে নিন। স্টিকার
এবার সহজে উঠে আসবে।
২৭। নতুন কেনা জিনিসপত্রের ওপর থেকে দামের লেবেল
তুলতে খোঁচাখুঁচি করবেন না। লেবেলের ওপর একটু
সেলোটেপ চেপে দিন। তারপর সেলোটেপের এক প্রান্ত
ধরে টানলে লেবেলটি উঠে যাবে।
২৮। দেওয়ালে পেরেক গাঁথার আগে পেরেকগুলো যদি
ফুটন্ত গরম জলে ডুবিয়ে নেন তাহলে হাতুড়ি মারার সময়
দেওয়ালের প্লাস্টার খসবে না।
২৯। শক্ত করে মুখ বন্ধ একটি ছোট্ট শিশিতে কর্পূর পুরে
যন্ত্রপাতির বাক্সে রেখে দিন। যন্ত্রপাতিতে মরচে
পড়বে না।
৩০। বেশ কিছুদিনের জন্য কোথাও বেড়াতে যাচ্ছেন
ফ্রিজ খালি করে? ডিফ্রস্ট করে তা রেখে গেলেন।
কিন্তু এসে দেখলেন দুর্গন্ধ হয়ে গেছে। দুর্গন্ধ দূর করবার
জন্য যাওয়ার আগে ফ্রিজে পাতি লেবু রেখে দিন।
দুর্গন্ধ হবে না।
৩১। ফ্রিজের বদগন্ধ দূর করতে সর্ষেগুঁড়ো ব্যবহার করতে
পারেন। একটা প্লেটে কিছুটা সর্ষেগুঁড়ো ঢেলে তাতে
একটু জল দিয়ে রাতভর ফ্রিজে রাখুন এবং ফ্রিজ খোলাই
রাখুন। পরের দিন সকালে দেখবেন সব গন্ধ উধাও।
৩২। ব্যবহারের পর তেল বা পানীয়র টেট্রাপ্যাক ফেলে
দেবেন না। কেটে ডিপ ফ্রিজে আইস ট্রেতে পেতে দিন।
মাছ মাংসের প্যাকেট আটকে যাবে না।
৩৩। প্রেসার কুকারের গ্যাসকেট মাঝে মাঝে ফ্রিজে
পুরে রাখবেন। দীর্ঘদিন টিকবে।
৩৪। টর্চের ফেলে দেওয়া ব্যাটারি কিন্তু কোয়ার্টিজ
ঘড়িতে এবং রেডিওতে আরও মাস খানেক চলবে।
৩৫। বাড়িতে আঠা ফুরিয়ে গেছে। খামে স্ট্যাম্প
লাগাবেন। ন্যাচারাল কালার নেলপালিশ ব্যবহার করুন।
৩৬। সেলোটেপের মুখ খুঁজে পাচ্ছেন না? মিনিট দশেক
ফ্রিজে ঢুকিয়ে রেখে দিন। সেলোটেপের রিলটা খুলে
আসবে।
৩৭। খামের ওপর ঠিকানা লিখে একটু মোমবাতি ঘষে
দেবেন। জল পড়ে কালি থেবড়ে ঠিকানা অস্পষ্ট হয়ে
যাবে না।
৩৮। টেবিল বা ক্যাবিনেটের ড্রয়ার অনেক সময় আটকে
যায়। স্বচ্ছন্দে খোলা বা বন্ধ করা যায় না। ড্রয়ারের
ধারে মোম ঘষে রাখুন। সহজে আটকাবে না।
৩৯। ব্যবহারের পর বাইসাইকেলের টায়ার ভিজে কাপড়
দিয়ে মুছে রাখুন। সহজে কাটবে না।
৪০। নখের কোন ভেঙে গেছে। কিন্তু এমারি বোর্ড নেই।
একটা দেশলাই কাঠি নিয়ে বারুদের দিকটা ভাঙা
জায়গায় ঘষুন। নিমেষে নখ সমান হয়ে যাবে।
৪১। নেলপালিশ শুকিয়ে জমে গেলে ইউক্যালিপটাস তেল
দিন। গলে নরম হবে। তবে নেলপালিশ ফ্রিজে রাখলে
সহজে শুকোবে না।
৪২। এক লিটার জলে দু’চার চামচ ডিটারজেণ্ট গুলে
ঝাঁকিয়ে দিন। এবার স্প্রেগান বা পিচকিরিতে ভরে
ঘরের আনাচে কানাচে যেখান আরশোলার উপদ্রব বেশি
সেসব জায়গায় স্প্রে করে দিন। আরশোলা মরবে।
৪৩। মোমবাতি জ্বালানোর আগে যদি বার্নিশ লিগিয়ে
নিতে পারেন তো সাশ্রয় হবে। সহজে মোম গলবে না।
৪৪। ক্যাণ্ডেল হোল্ডারে মোমবাতি বসানোর আগে একটু
তেল মাখিয়ে নেবেন। ফুরিয়ে গেলে জমা মোম তুলতে
অসুবিধে হবে না।
৪৫। বোতলের ছিপি খুব শক্ত হয়ে আটকে গেলে, একটা
রুমাল গরম জলে ভিজিয়ে নিংড়ে বোতলের ছিপির নীচে
জড়িয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পরে ছিপিটি আলগা হয়ে
আসবে।
৪৬। যাদের সিলিণ্ডার ক্যারিয়ার নেই তারা
থার্মোকলের টুকরোর ওপর গ্যাস সিলিণ্ডার রাখুন। গ্যাস
সিলিণ্ডারেও যেমন মরচে পড়বে না, মেঝেও মরচের দাগ
থেকে রেহাই পাবে।
৪৭। গ্যাস ওভেন-এ রান্নার সময় কিছু উপচে পড়ে গেলে নুন
ছিটিয়ে দিন। ওভেন ঠাণ্ডা হয়ে গেলে পোড়া
জিনিসগুলো ভিজে স্পঞ্জ দিয়ে ভালভাবে মুছে দিন।
৪৮। রাতের দিকে বেসিনের পাইপের মুখে মাঝে মাঝে
আধ কাপ মত ভিনিগার ঢেলে দেবেন। সকালে দু’মগ জল
ঢেলে দিলেই বেসিনের পাইপ পরিষ্কার থাকবে।
৪৯। সিঙ্কের মুখ বন্ধ হয়ে গেলে নুন ফুটিয়ে সিঙ্কের মুখে
ঢেলে দিন। পরিষ্কার হয়ে যাবে।
৫০। বালতি বা ড্রাম ফুটো হয়ে গেলে ঐ জায়গা
পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিয়ে ধুনো গুঁড়ো করে নারকোল
তেল এবং সিঁদুর মিশিয়ে মিশ্রণটি লাগান, ফুটো বন্ধ হয়ে
যাবে।
৫১। আস্ত ধনেতে পোকা ধরেছে বলে ফেলে দেবেন না।
ঘণ্টা খানেক ভিজিয়ে রেখে মাটিতে ছড়িয়ে দিন। ধনে
পাতার চাষ হবে আপনার বাগানে।
৫২। দই যদি নষ্ট হয়ে যায় তো ফেলে দেবেন না। বাড়িতে
কারি পাতার গাছ থাকলে তার গোড়ায় মাটিতে দিন।
এতে পাতার তেজ ও সুগন্ধ দুই-ই বাড়বে।
৫৩। অ্যাকোরিয়ামের জল ফেলে দেবেন না। গাছের
গোড়ায় দিন। সার হিসেবে চমৎকার।
৫৪। কাজুবাদাম ব্যবহারের সময় খোসাটা ফেলে দেওয়া
হয়। ঐ ফেলে দেওয়া খোসাই গোলাপ গাছের সেরা সার।
৫৫। ব্যবহৃত চা-পাতা ফেলে না দিয়ে ভাল করে রোদে
শুকিয়ে নিন। এইভাবে ঐ চা’পাতা ধুনোর বদলে ব্যবহার
করুন। শুকনো চা’পাতা পোড়ানো ধোঁয়ায় ঘরের সমস্ত মশা,
মাছি পালিয়ে যাবে।
৫৬। মশা তাড়াবার একটা সহজ উপায় হল, কয়েক টুকরো
কর্পূর আধকাপ জলে ভিজিয়ে খাটের নীচে রেখে দিন।
তারপর নিশ্চিন্তে ঘুমান।
৫৭। কয়লা বা কাঠ-কয়লার আগুনে নিমপাতা পড়লে যে
ধোঁয়া হবে তাতে সবংশে মশা পালাবে।
৫৮। লোডশেডিঙের সময় যদি হ্যারিকেন বা কাঁচ ঢাকা
বাতিদান জ্বালান তবে তার ওপর দু-একটা ব্যবহৃত মশা
মারার রিপেলেন্ট রেখে দেবেন। আলোর সঙ্গে সঙ্গে
মশা তাড়ানোর কাজও হবে।
৫৯। প্রতিদিন নিশিন্দা ও নিমপাতার গুঁড়ো ধুনোর সঙ্গে
ব্যবহার করলে মশার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
৬০। ঘরের মধ্যে মশার উৎপাত কমাতে চাইলে, ঘরের
বৈদ্যুতিক আলোটি হলুদ সেলোফেনে জড়িয়ে দিন। ফলে
হলুদ আলো হবে। দেখবেন মশা কমে গেছে, কারণ মশা হলুদ
আলো থেকে দূরে থাকতে চায়।
৬১। মাছি তাড়াতে পুদিনা পাতা ব্যবহার করুন। ছোট
গ্লাসে একটু জল নিয়ে তাতে ৫/৬ গাছি পুদিনা রেখে
দিন খাবার টেবিলে। ৩ দিন অন্তর জল বদলে দেবেন। জল
অনুকূল হলে কিছুদিনের মধ্যে পুদিনা চারাও গজিয়ে
যাবে গ্লাসে।
৬২। নিমপাতা ভেজানো বা সেদ্ধ জলে ঘর মুছুন। পোকা-
মাকড়ের উপদ্রব কমবে। নিমপাতা তোশক বা গদির তলায়
রাখুন পোকামাকড় হবে না।
৬৩। অনেক সময় ঘরে বা রান্নাঘরে সাপ ঢুকে যায়। কিছুটা
রসুন বেটে কাপড়ে বেঁধে ঘরের কোণে রেখে দিলে ঘরের
ভিতর সাপ ঢুকবে না।
৬৪। নিমপাতা পচা সার গাছে পোকা লাগতে দেয় না।
৬৫। বাচ্চাদের ঘরে মাছি, পিঁপড়ে হয়। যদি নুন ছিটিয়ে ঘর
মোছা যায়, পিঁপড়ে মাছি কম হবে।
৬৬। আটা, ময়দা, ডাল পোকার হাত থেকে বাঁচতে হলে
একমুঠো নিমপাতা শুকিয়ে উপরে ছড়িয়ে দিন, পোকা হবে
না।
৬৭। সোনার গয়না দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করলে ঔজ্জ্বল্য
হারিয়ে যায়। ব্যবহার করার পর সিঁদুর মাখিয়ে রাখবেন।
চকচক করবে। কুমড়োর রস দিয়েও গয়না পরিষ্কার করা
যায়।
৬৮। বিয়ে বাড়িতে বা পার্টিতে যেদিন যাবেন, সোনার
গয়নাগুলো কাঁচা হলুদ থেঁতো করে বা হলুদ গুঁড়ো জলে
গুলে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে ভাল করে মুছে নেবেন।
উজ্জ্বলতা বাড়বে।
৬৯। আপনার সোনা-রূপোর গয়না টুথপেস্ট দিয়ে ঘষে নিন।
জল দেওয়ার দরকার নেই। শুকনো কাপড়ে পেস্ট মুছে
ফেলুন। দেখুন ঝকমকিয়ে উঠবে আপনার গয়না।
৭০। রূপোর জিনিস জলের সঙ্গে নুন আর রিঠা দিয়ে মিনিট
পনেরো ফোটালে রূপোর স্বাভাবিক রং ফিরে আসে।
৭১। পাথরের গয়না টুথপেস্ট ঘষে পরিষ্কার করুন। নতুনের মত
ঝলমল করবে।
৭২। পেতলের বাসন ঝকঝক করে তুলতে ক’ফোঁটা সেলাই
মেশিনের তেলে হলুদ গুঁড়ো মেশান। ঐ তেলে ঘষে তুলুন
বাসন। দেখবেন নতুনের মত দেখাচ্ছে।
৭৩। ব্রাসোর সঙ্গে সামান্য পাতিলেবুর রস মিশিয়ে ঘসুণ,
কাঁসার জিনিস সোনার মতো ঝকঝক করবে।
৭৪। হলুদ গুঁড়োর সঙ্গে কয়েক ফোঁটা সরষের তেল দিয়ে
পেতলের বাসন ঘষলে চকচক করবে।
৭৫। রূপোর বাসন, কাঁটা-চামচ বা গয়নাটি তেঁতুল গোলা
জলে ফুটিয়ে নিন। ঘষা-মাজা করতে হবে না। ফোটালেই
ঝকঝক করবে।
৭৬। এনামেলের বাসন থেকে দাগ তুলতে নুন আর
ভিনিগারের মিশ্রণ ব্যবহার করুন।
৭৭। বোন চায়নার বাসনে দাগ ধরে গেলে নেলপালিশ
রিমুভার ব্যবহার করতে পারেন। দাগ উঠে যাবে।
৭৮। চাল ধোয়া জলে স্টীল ও কাঁচের বাসন কিছুক্ষণ
ডুবিয়ে রেখে তারপর ধুয়ে নিলে বাসনগুলো ঝকঝক করবে।
৭৯। পিতলের বা কাঁসার বাসন দীর্ঘদিন ব্যবহার না করার
ফলে দাগ ধরে যায়। মাথার চুল ও সরষের তেল সহযোগে
মাজুন, দেখবেন ঝকঝক হয়ে উঠবে।
৮০। রান্না পুড়ে পাত্রের তলায় এঁটে গেছে। পাত্রটিকে
নুনজলে ভর্তি করুন। তারপর আঁচে বসান। জল ফুটতে শুরু
করলেই পোড়া অংশ আলগা হয়ে উঠে যাবে।
৮১। রান্নার সময় হাতে হলুদেড় দাগ হলে, আলুর খোসা
ছাড়িয়ে হাতে ঘষে, হাত ধুয়ে নিলে আর হলুদের দাগ
থাকবে না।
৮২। টিন থেকে মরচে তুলতে হলে আলু কেটে বাসন ধোয়ার
গুঁড়োয় ডুবিয়ে সেটা দিয়ে ঘষলেই মরচে উঠে যাবে।
৮৩। মরচের দাগ তুলতে হলে ১ কাপ চাল ২ লিটার জলে
ফুটিয়ে সারারাত রাখতে হবে। পরের দিন সকালে জলটা
ছেঁকে নিয়ে সেই জলে মরচে ধরা জায়গাটা ধুলে
ফেলতে হবে। যদি এক দফায় না হয়, আবার একই নিয়মে
ধুতে হবে।
৮৪। কফির যদি স্বাদ আরো বাড়াতে চান তাহলে সামান্য
টেবিল-সল্ট মিশিয়ে নিন।
৮৫। তুলসীপাতা শুকিয়ে গুঁড়ো করে রাখুন। চা তৈরীর সময়
দু-চিমটি লিকারে দিয়ে দেবেন। আরো ভাল স্বাদ
আসবে। নানা রোগও আটকাবে।
৮৬। বাড়িতে ঘি তৈরি করার জন্য দুধের সরটা বাটিতে
১/২ চামচ টক দই দিয়ে তার উপর রাখতে হবে। সরটা
এমনভাবে রাখতে হবে যাতে পুরো দইটা ঢেকে যায়। এই
ভাবে দই এর সাথে সর জমলে সর জমা যে গন্ধ হয় সেটা
হবে না।
৮৭। এক টুকরো সন্ধক লবণ ঘি এর শিশির মধ্যে রেখে দিন।
এতে ঘি বেশি দিন টাটকা থাকবে, স্বাদেরও পরিবর্তন
হবে না।
৮৮। ঘিয়ের গন্ধ বজায় রাখতে হলে ঘি রাখার শিশিতে
এক টুকরো আখের গুড় রেখে দিন।
৮৯। ভোজ্য তেলে ৮/১০ টা আস্ত গোলমরিচ ফেলে দিন।
তেল দীর্ঘদিন অব্যবহৃত হলেও ভাল থাকবে।
৯০। দই পাতবার সময় দুধের সঙ্গে ১ চামচ কর্ণফ্লাওয়ার
গুলে দেবেন। দই অনেক বেশি ঘন হবে।
৯১। গরু বা মোষের দুধ ঠিক সময় মতো গরম না করলে দুধ
কেটে যাবার ভয় থাকে। দুধের মধ্যে দু-ফোঁটা সরষের
তেল দিয়ে রাখলে দুধ যখনই ফোটান হোক না কেন দুধ
কাটবে না।
৯২। দীর্ঘদিন বাইরে পড়ে আছে দুধ। ভয় হচ্ছে আঁচে
বসালেই কেটে যাবে। আঁচে বসানোর আগে দুধে ১ চিমটি
সোভা-বাই-কার্ব মিশিয়ে নিন। দুধ কাটবে না।
৯৩। দুধ পড়ে গেলে বা দুধ থেকে পোড়া গন্ধ দূর করতে হলে
তাতে পান পাতা ফেলে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিন। পোড়া
গন্ধ কেটে যাবে।
৯৪। পিঠে, পাটিসাপ্টা, মালপো প্রভৃতি তৈরি করার সময়
গোলায় একটু আটা মিশিয়ে দিলে পিঠে ঠিকভাবে
তৈরি হয়।
৯৫। চালের গুঁড়োর পিঠে করলে সাধারণত শক্ত হয়। পিঠে
করার আগে যদি চালের গুঁড়োতে কিছুটা খই মাখিয়ে
নেওয়া হয় তবে পিঠে নরম হয় এবং খেতেও ভাল লাগে।
৯৬। কেক, পুডিঙের ওপর বাদাম, কাজু বা কিশমিশ
সাজিয়ে দেবার আগে, ধুয়ে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখলে
পড়ে খসে যাবার ভয় থাকে না।
৯৭। কাস্টার্ড তৈরীর সময় কাপ প্রতি দুধে দু-তিন চামচ
মিল্ক পাউডার গুলে নেন তবে চমৎকার আস্বাদ আসবে।
তৈরীর পর মোটা চিনির দানা যদি ছড়িয়ে দেন,
কাস্টার্ডে সর পড়বে না।
৯৮। ছানা কাটানোর জন্য লেবুর রসের বদলে ফুটন্ত দুধে ১
চামচ দই ফেলে দিন। ছানা নরম হবে।
৯৯। বিস্কুটের টিনে এক টুকরো ব্লটিং পেপার রেখে
দিন। বিস্কুট মিইয়ে যাবে না।
১০০। পোড়ামাটির জিনিসপত্র পরিষ্কার রাখতে হলে
ওগুলোর ওপর ন্যাচারাল রঙের নেলপালিশ লাগিয়ে দিন।
রং অক্ষত থাকবে আর নোংরা হবে না।
আসাদ শাহীন
E-mail:shah33n@chef.net
Post a Comment
তথ্য বহুল পোস্ট। শুভকামনা
# Cleaning Services in Dhaka