■■ বর্তমান সময়ে তালাক বা বিবাহ বিচ্ছেদ এর কারণ!!

●● তালাক বা বিবাহ বিচ্ছেদ কেন হচ্ছে তা জানার জন্য গত ০৯ মাস ধরে ২৪৫ জন তালাক প্রাপ্ত পুরুষ ও মহিলার  সাথে কথা বলা হয়েছে, কেন তালাক হলো??? এর মধ্যে ৭২% তালাক/বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে শুধুমাত্র নিজেদের মধ্যে ভুল বুঝা বুঝি এবং একে অপরকে অসন্মান করার কারণে! 

●▪︎ আর ১৮℅ তালাকের কারণ পরকীয়া! বাকী ১০% তালাক স্ত্রীর উচ্চ বিলাসিতা কারনে! এর মধ্যে ৭৮℅ তালাক হয়েছে শুধুমাত্র মেয়ের কারণে! ২২℅ পুরুষের দোষে!

■■ মজার বিষয় হলো, ৯২℅ তালাক প্রাপ্ত মহিলা এবং পুরুষ তালাকের পরে এখন অনুতপ্ত! তারা সবাই বলছেনঃ তালাক দেবার/নেবার সিদ্ধান্তটি ভুলছিলো! তালাক প্রাপ্ত ৮৯℅ মেয়েদের আর বিয়ে হচ্ছে না। ০৪℅ মেয়ে বিয়ের প্রতি অনিহা! ০৭℅ মেয়ে এখন পথভ্রষ্টা! ছেলেদের মধ্যে ৮৫ ℅ বিয়ে করে নতুন সংসার করছে।
১৩℅ ছেলে বিয়ের প্রতি অনিহা। ০২ ℅ ছেলে পথভ্রষ্ট!

●● আরো মজার বিষয় হলো, তালাক প্রাপ্ত ৬৭℅ ছেলেই কুমারি মেয়ে বিয়ে করেছে। আর ঐসব মেয়েরা কুমার ছেলে পেয়েছে মাত্র ০০১℅। 

■■ আমি তালাকের বিরুদ্ধে! তাই এই জরিপটা করেছি। জারা দাম্পত্য জীবন নিয়ে হতাশ, তাদের পরামর্শকের কাজ করতে চাই! আর আমার সেই পরামর্শটি হলোঃ
-------"প্লিজ তালাক দেবার আগে ভাবুন! আবার ভাবুন!  দেখুন সমজতা করা যায় কিনা! সমজতার পথই সঠিক পথ! যা আল্লাহ তা'আলা পছন্দ করেন! সুতরাং নিজেরা নিজেদের সমস্যাগুলো সমাধান করুন! নিজেরা যদি সমাধান করতে না পারেন, তাহলে পারিবারিক ভাবে সমাধান করার চেষ্টা করুন। তাতেও যদি কাজ না হয়, তাহলে বিশেষজ্ঞ কোন ব্যক্তির পরামর্শ গ্রহণ করুন এবং মহান আল্লাহ তা'আলার কাছে নিজেদের জন্য দু'আ করুন। আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই সর্বোত্তম উপায় বা ব্যবস্থা করে দেবেন এবং সকল সমস্যা থেকে মুক্ত করে দেবেন!"

●● আরেকটা ভয়াবহ তথ্য হলোঃ দ্বিতীয় বিয়ের পরে  ১২℅ মেয়ের আবারও তালাক হয়েছে! ৮৯% মেয়ে দ্বিতীয় সংসারে অসুখি। অপর দিকে মাত্র ০২℅ ছেলের আবারও তালাক হয়েছে আর অসুখি ০৩℅ পুরুষ!

■■ অবাক করা বিষয় হলো، দ্বিতীয় তালাক দেওয়া ছেলেদের স্ত্রী হয়েছিল কোন তালাক প্রাপ্ত মহিলা। আর বিধবা মহিলাকে বিয়ে করে চরম সুখি ৯৩℅ পুরুষ!!

■■ আশা করি সকলেই বুঝতে পেরেছেন!!

           ●● বর্তমান সময়ে ব্যাপক পরিমাণে বিবাহ 
          বিচ্ছেদ বা ডিভোর্স হওয়ার কিছু কমন কারণঃ
■■ বর্তমান সময়ের মেয়েদের/মহিলাদের বাস্তব অবস্থা সম্পর্কে একজন ব্যাংকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলে শিরোনামের বিষয়ে আলোচনা করবো ইন শা আল্লাহ!

■■ একজন ব্যাংকার লিখছেনঃ "সব মেয়েরা হয়তো ভাবতে পারেন ডাহা মিথ্যা কথা বলেছে! কিন্ত এটাই বাস্তব এবং শতভাগ সত্যি কথা! আর তা হলোঃ

●● ব্যাংকিং ক্যারিয়ারের 8 বছরে দেখলামঃ 
-------"যত বিবাহিত মেয়ে একাউন্ট ওপেন করতে আসে বা ডিপিএস, সঞ্চয় পত্র কিনতে আসে, তাদের মধ্যে ৯০% মেয়ে বা মহিলা তার স্বামীকে নমিনি দিতে চায় না! নমিনী দেয় তার নিজের মা-বাবা-অথবা ভাই-বোনকে! কিন্তু বিবাহিত পুরুষদের ৯৫% ই স্ত্রীকে নমিনি দিতে চায়!"

●● পুরুষদের মধ্যে অনেকেই, প্রায় ২০% আসেন, যারা তার সম্পূর্ণ আয় স্ত্রীর নামেই ব্যাংকে রাখে। কিন্তু ২% স্ত্রী পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ যে, নিজের ইনকাম স্বামীর নামে রাখে!

■■ এটাই নারী এবং পুরুষের মধ্যে একটি মৌলিক পার্থক্য!!

          ●● বর্তমান সময়ে অধিকহারে বিবাহ বিচ্ছেদ
                    বা ডিভোর্স হওয়ার কারণ সমূহঃ
     ■■ ০১[ স্বামী-স্ত্রী'র যৌথ কারণ সমূহঃ
■▪︎ ০১] বিয়ের সময় একে অপরের প্রতি টান অনুভব না করাঃ
 এটা হয়ে থাকে পরিবারের চাপের কারণে বা সহজে বিয়ে হচ্ছে না, এখন এমন অবস্হা, যে কোনো রকম বিয়েটা হলেই হল! ম্যাক্সিমাম ক্ষেত্রে দেখা গেছে বিয়ের সময় আগ্রহ কাজ না করলে পরবর্তীতে সহজে অপর পক্ষের প্রতি মন বসে না! 

■▪︎ ০২] আচার-ব্যবহারে শালীন না থাকাঃ
 নিজেদের মাঝে আচার-ব্যবহারে কোনরকম সম্মান, বিশ্বাস ও সহানুভূতি না থাকা! একে অপরের জন্য চোখ বন্ধ করে সেক্রিফাইজ বা কম্প্রোমাইজ করার মানসিকতা না রাখা!

■▪︎ ০৩] উগ্র মেজাজ এবং ইগোঃ 
কোনোভাবেই সবর বা ছাড় দেওয়ার বা হার মানার মানসিকতা একে অপরের মধ্যে না থাকা!

■▪︎ ০৪] পর্যাপ্ত সময় না দেওয়াঃ
একজন অপরজনকে সময় না দেওয়া, একে অপরের পছন্দ, চাওয়া পাওয়াকে গুরত্ব না দেওয়া!

■▪︎ ০৫] হক্ব আদায় না করাঃ
একে অপরের হক্ব আদায়ের ব্যপারে উদাসীন থাকা!

■▪︎ ০৬] শারীরিক অক্ষমতা!

■▪︎ ০৭] দ্বীনহীনতা এবং

■▪︎ ০৮] নজরের হিফাজত না করাঃ
পরিকিয়ায় লিপ্ত হওয়া, পর্ণ এডিক্টেড হওয়া, বা একে অপরকে সন্দেহ করা। 

      ●● ০২] পারিবারিক কারণঃ(যদি যৌথ পরিবার হয়) 
   ■■ স্বামীর ভুল সমূহঃ
■▪︎ ০১। নিজ পরিবারে স্ত্রীর শক্ত অবস্থান তৈরি না করে দেওয়া। 
■▪︎ ০২। মা ও বোনদের সাথে সম্পর্ক সুন্দর করতে ও তা বজায়ে রাখতে কোনো হিকমা বা ভূমিকা বা দায়িত্ব 
 পালন না করা। 
■▪︎ ০৩। স্ত্রীর উপর নিজ পরিবারের কারও দ্বারা জুলুম হতে থাকলে বা স্ত্রীর দ্বারা নিজ পরিবারের কারও উপর জুলুম হতে থাকলেও নিরব থাকা! 
■▪︎ ০৪। কোনো বিচার সামনে আসলে এক তরফা শুনেই বিচার করে ফেলা! 
■▪︎ ০৫। স্ত্রীর ব্যক্তিগত কথাবার্তা বা স্ত্রীর সাথে হওয়া নিজের কথাবার্তা পরিবারের মা-বোনদেরকে বলে দেওয়া। আবার মা বোনদের সাথে হওয়া কথা স্ত্রীকে এসে বলে দেওয়া!
■▪︎ ০৬। মা বোনদের ব্যপারে স্ত্রীর গীবত কিংবা স্ত্রীর ব্যপারে মা বোনদের গিবত শুনতে থাকা এবং এসব বন্ধ না করা!
■▪︎ ০৭। স্ত্রীর উপর বাস্তবেই জুলুম হচ্ছে(শারীরিক, মানসিক, বাচ্চা হচ্ছে না, দেখতে খারাপ হয়ে যাচ্ছে, ডমিনেট করা হচ্ছে ইত্যাদি) অথচ স্বামী কোনো স্টেপ নিচ্ছে না, বরং সহ্য করে সংসার করে যেতে বলা! 
■▪︎ ০৮। নিজেদের ব্যক্তিগত জীবনে মা বোনদের অধিকার খাটাতে দেওয়া, এক কথায় অনধিকার চর্চা করতে দেওয়া!

   ■■ স্ত্রীর ভুল সমূহঃ 
■▪︎ ০১। নিজের সংসারের প্রতি যত্নশীল না হওয়া! নিজের পড়াশোনা বা ক্যারিয়ার নিয়ে এতটাই ব্যস্ত থাকা যে, নিজের সংসারেই নিজেকে মেহমান বানিয়ে রাখা!
■▪︎ ০২। সংসারের কাজগুলোকে ভালবেসে না করে বরং নিজের জন্য জুলুম ভাবা। যদিউ কাজগুলো এমন হয় যে শরিয়ত তাকে বাধ্য করে না করার জন্য!
■▪︎ ০৩। স্বামীর প্রতি সম্মানবোধ না থাকা, বদমেজাজি হওয়া, শোকর এবং সবরকারি না হওয়া!
■▪︎ ০৪। স্বামীর মা-বাবার প্রতি সহানুভূতিশীল না হওয়া এবং মুরুব্বি হিসেবে তাঁদেরকে সম্মান না করা এবং তাঁদের প্রতি উত্তম আচরণ না করা। 
■▪︎ ০৫। শারীরিক সম্পর্কে অনাগ্রহ প্রকাশ করা এবং এক্ষেত্রে স্বামীর জন্য নিজেকে উত্তমভাবে তৈরি না রাখা!
■▪︎ ০৬। দ্বীনহীনতা, দুনিয়াদারি, বেপর্দা, পরকিয়া এবং নিজের পরিবার ও বাচ্চাদের তারবিয়াতের ব্যপারে অমনোযোগী ইত্যাদি!
■▪︎ ০৭। নিজের মা, বোনদেরকে নিজেদের মাঝে অতিরিক্তএক্সেস দেওয়া!
■▪︎ ০৮। নারীবাদিতার ধ্যান-ধারণা পোষণ করা!

     ■■ সমস্যাগুলো খুব ছোটোখাটো লাগলেও এসব 
     কারণেই অশান্তি হতে হতে এক পর্যায়ে রাগারাগি ও 
     রাগের মাথায় শেষ পর্যন্ত তালাক হয়ে যায়!

●● বিয়েটা শুধুমাত্র বারান্দায় দাঁড়িয়ে একে অপরের দিকে চেয়ে চায়ে চুমুক দিয়ে রাত কাটানো নয়! বরং এ
বিয়েটা শুধু বৃষ্টি পড়বে আর হাত ধরে রিকশায় ঘুরব টাইপও নয়। বিয়েটা শুধু একে অপরকে রাতে জাগিয়ে এরপর একত্রে তাহাজ্জুদ পড়বো এমনটাও  নয়। বরং 
বিয়ে জীবনের সবচেয়ে কঠিন একটা দায়িত্বটার নাম এবং কঠিন একটা বাস্তবতার নাম! 

■■ আপনি যদি স্ত্রীর হক আদায় করতে না পারেন, এক মুরুব্বির আমানতকে নিজের ঘরে এনে তাকে সম্মানের সাথে রাখতে না পারেন, শুধুমাত্র বিশাল এক পরিবারের কাজের মানুষ হিসেবে এনে রাখেন এবং তার উপর হওয়া পারিবারিক জুলুমে চুপ থাকেন, মা বোনের কথায় স্ত্রীকে চালান, তার প্রতি যত্নশীল না হোন, তার সুবিধা-অসুবিধা গুলো না দেখেন, নিজের বাচ্চাদের প্রতি যত্নশীল বাবা না হোন, একজন সাচ্চা পুরুষ না হতে পারেন, মিনমিনা টাইপের হোন  তবে শুধু শুধু কেন একজনের জীবন কষ্টে ভরে দিতে এবং এক জোড়া মজলুমের হাত মহান রব্বের দরবারে তুলে দিতে বিয়ে করবেন! বরং নিয়মিত ভাবে রোযা রাখুন সেটাই আরো উত্তম হবে। 

●● আর আপনি যদি নিজের পরিবারের মানুষদেরকে রান্না করে খাওয়াতে না চান, নিজের বাচ্চাদের পালতে হিমশিম খেয়ে যান, স্বামীর পরিবারের মানুষদেরকে আপন করে নিতে না পারেন, শুধুমাত্র আমার অধিকার, আমার যোগ্যতা, আমার হাতখরচ, আমার আরাম আয়েশ নিয়েই ভাবেন তো আরেকটা পরিবারে যাওয়ার দরকার কী! বাবার বাড়িতেই তো আপনি নবাবজাদি, ওখানেই থাকুন!

■■ আর আপনি যদি ভাবেন,আপনার পুত্র এখনো বাচ্চা, সংসারের দায়িত্ব নিতে পারবে না, আপনাকে সব বুঝিয়ে শুনিয়ে দিতে হবে, একটা ছেলে ও একটা মেয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে, কিন্তু সব চলবে আপনার মর্জিমাফিক, ছেলের উছিলায় একজন কম বয়সী এবং কাজে অপটু বুয়া ঘরে আনবেন, আর উঠতে বসতে তার ভুল ধরবেন, ছেলেকে সেই বুয়া নিয়ে শান্তিতে থাকতে দিবেন না, বেডরুমের দরজা লাগাতে দিবেন না, তবে আপনার সেই বাচ্চা ছেলেকে আল্লাহর ওয়াস্তে বিবাহ করাবেন না! বরং একজন খাদিমা নিয়ে এসে আপনার সাথেই রাখবেন!

●● আপনি যখন স্বামী, আপনার যদি পুরুষত্ব থাকে, গাম্ভীর্যতা থাকে এবং হিকমাওয়ালা ভাবেন নিজেকে, আল্লাহর এক বান্দির উপর জুলুম হবে না, তার হক্ব যথাযথ ভাবে আপনি আদায় করতে পারবেন, ছেলে হিসেবে মায়ের, ভাই হিসেবে বোনের, স্বামী হিসেবে স্ত্রীর এবং বাবা হিসেবে সন্তানের যথাযথ হক্ব আদায় করতে পারেন, সবার মাঝে হিকমার সহিত সুন্দর বন্ধন গড়ে তুলতে পারেন এবং জুলুমের সামনে ঢাল হতে পারেন, ইনসাফ ওয়ালা হতে পারেন, হক্ব বিচার করতে পারেন তবেই বিয়ে করুন!

■■ আপনি যখন স্ত্রী, প্রচুর সবরওয়ালী, স্বামী, সন্তান ও পরিবারের সবার প্রতি মমতাময়ী খেদমদগার হতে পারেন, নিজের সংসারের সব কিছুই একান্ত নিজের ভেবে তাতে ডুবে যেতে পারেন, সংসার সুন্দর ভাবে চালাতে ও টিকিয়ে রাখতে মরিয়া টাইপ হতে পারেন, সাংসারিক কাজগুলোকে ইবাদাত ভেবে বা ইবাদাতে রূপান্তর করে করতে পারেন, যতই ঝড়ঝাপটা আসুক স্বামীস্ত্রী একত্রে ঢাল হয়ে সংসার টিকিয়ে রাখব সুন্দর ভাবে এমন মানসিকতা থাকে, স্বার্থপরতা না থাকে, নারীবাদী রোগে আক্রান্ত না থাকেন তবেই বিয়ে করুন!

●● আর আপনি যখন পুত্রের গার্জিয়ান! যদি ভাবেন ছেলে যথেষ্ট বুঝদার হয়েছে, এবার বিয়ে করে নিজের মত সংসার করুক, নিজের বউ বাচ্চা নিয়ে ভাল থাকুক, ছেলের বউকে তার বউ হিসেবে আদর স্নেহ করতে পারেন এবং তার থেকে মহব্বতে মহব্বতে কাটাকাটি করে খেদমত নিতে পারার হিকমা থাকে, তাদেরকে তাদের মত ছেড়ে দেওয়ার মানসিকতা থাকে, তাদের মাঝে হাড্ডি হওয়াটা অপছন্দ হয়ে থাকে তবেই ছেলের জন্য তার যোগ্য এমন পাত্রী নিয়ে আসুন! 

■■ অন্যথায় যে যার জায়গায় যেমনে আছেন, তিনি তেমনে ভাল থাকেন। হুদাই ঝামেলার দরকার কি!!!!

●● ইয়া আল্লাহ তা'আলা! আমাদের সবাইকে সঠিক এবং পরিপূর্ণ ভাবে জানার, বোঝার এবং মেনে চলার তাওফীক দান করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা, কবুল ও হিফাযত করুন(আ-মীন)।।


Post a Comment

[blogger]

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget