৪০ হাদিস, নিজে পড়ুন, অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দেন।



১)  আমার কথা (অন্যদের কাছে) পৌছিয়ে দাও, তা যদি একটি আয়াতও হয় 

(সহীহ বুখারীঃ ৩২১৫)


২) নবীজি বলেন,”জ্বর আসে জাহান্নামের তাপ থেকে!সুতরাং,জ্বর কে পানি দ্বারা প্রশমিত কর! (সহীহ বুখারী,, খন্ড: ৭:অধ্যায় ৭১:হাদিস ৬২১)


৩) নবীজি বলেন,”যদি কারো পানিতে মাছি পড়ে যায়,তবে মাছিটিকে পানিতে চুবিয়ে তারপর পান কর!কারণ,মাছির এক ডানায় আছে রোগ,অন্য ডানায় আছে প্রতিকার! “(সহী বুখারী, 4:54:537)


৪) নবীজি বলেন,কালোজিরা আস-সামস ব্যতিত সর্বরোগের ঔষধ! আয়েশা জিজ্ঞেস করেন,আস-সামস কি?নবীজি উত্তরে বলেন,মৃত্যু!(বুখারী ৭:৭১:৫৯১)


৫) নবীজি বলেন,”যারা রোপ্যপাত্রে পানি পান করে,তারা জাহান্নামের আগুন দ্বারা তাদের পেটপুর্ণ করে! (বুখারী 7:69:538)


৬) নবীজি বলেন,”জাহান্নামের আগুণ আল্লাহর কাছে অভিযোগ করল,”হে আমার প্রতিপালক,আমার বিভিন্ন অংশ পরস্পরকে খেয়ে ফেলছে!সুতরাং,তিনি জাহান্নামকে দুইবার শ্বাস নেয়ার অনুমতি দিলেন,একটিটি শীতকালে (প্রশ্বাস),অন্যটি গ্রীষ্মকালে (নিঃশ্বাস)!এবং এটাই (গ্রীষ্মকলে) প্রখর গরম ও (শীতিকালে) তীব্র শীতের কারণ!

(বুখারী 4:54:482)


৭) নবীজি বলেন,”আল্লাহ হাচি পছন্দ করেন এবং হাই তোলা অপছন্দ করেন!(বুখারী 8:73:242)


৮) নবীজি বলেন,”ভাল স্বপ্ন আসে আল্লাহ থেকে আর দুঃস্বপ্ন আসে শয়তান থেকে!কেউ যদি দুঃস্বপ্ন দেখে তার উচিত আল্লাহর কাছে শয়তান হয়ে আশ্রয় চাওয়া ও বাম দিকে থুথু নিক্ষেপ করা,কারণ এতে দুঃস্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করতে পারবেনা।(বুখারী 9:87:115)


৯) "ধৈর্যের চেয়ে উত্তম ও ব্যাপক কোনো গুন বা বস্তু কাউকে দেয়া হয়নি।"   

[ সহীহ বুখারী : ১৪৬৯]


১০) নবীজি বলেন,”তোমরা সুর্যদ্বয় ও সুর্যাস্তের সময় নামায আদায় করোনা,কারণ সুর্য শয়তানের মাথার দুইপ্রান্তের মধ্যখান দিয়ে উদিত হয়(বুখারী৪:৫৪:৪৯৪)


১১) নবীজি বলেন,,”যে ব্যক্তি প্রতি সকালে ৭ টি আজওয়া খেজুর খায়,তার ওপর বিষ ও জাদু কোন প্রভাব ফেলতে পারেনা!(বুখারী ৭:৬৫:৩৫৬)।।


১২) রাসূল (সাঃ) বলেছেন, কোন ব্যক্তির মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটকুই যথেষ্ঠ যে, সে যা শোনে (যাচাই ব্যতীত) তাই বলে বেড়ায়।

(সহীহ মুসলিম, মুকাদ্দামা, অনুচ্ছেদ -৩)


১৩) রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করবে সে জাহান্নামে যাবে।

(দেখুন সহীহ বুখারীঃ ১০৭,১০৯,১০৯,১১০,১১১ সহীহ মুসলিম, মুকাদ্দামা)


১৪) পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতে আল্লাহ্‌ সন্তুষ্ট আর পিতা-মাতার অসন্তুষ্টে আল্লাহ্‌ অসন্তুষ্ট।

(তিরমিযী, সনদ হাসান, মিশকাত হা/৪৭১০)


১৫) পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় করলে পঞ্চাশ ওয়াক্ত সলাতের সওয়াব পাওয়া যায়

(সহীহ বুখায়, মুসলিম ও তিরমিযীঃ ২১৩)


১৬) নবীজী বলেন  ব্যক্তি এবং শিরক ও কুফরের মাঝখানে সলাত ছেড়ে দেওয়াই হচ্ছে ব্যবধান।

(সহীহ মুসলিমঃ ১৫৪,১৫৫, মিশকাত)


১৭) ক্বিয়ামতের দিন বান্দার কাজসমূহের মধ্যে সর্বপ্রথম সলাতের হিসাব নেওয়া হবে।

(সহীহ তিরমিযীঃ ৪১৩, ইবনু মাযাহঃ ১৪২৫,১৪২৬)


১৮) যে ব্যক্তি ফজর ও আসরের নামায আদায় করবে সে জান্নাতে যাবে।

(সহীহ বুখারীঃ ৫৪৬)


১৯) আল্লাহ্‌ তা’আলার নিকট প্রিয় ঐ আমল যা নিয়মিত করা হয় যদিও তা অল্প হয়।

(সহীহ বুখারীঃ ৪১,৬০২০)


২০) যে ব্যক্তি (পুরুষ) পায়ের টাখনুর নিচে কাপড় ঝুলিয়ে পরবে, সে জাহান্নামী।

(সহীহ বুখারীঃ৫৩৭১, মিশকাত, হা/৪১২৫)


২১) কালিজিরায় মৃত্যু ছাড়া আর সকল রোগের চিকিৎসা রয়েছে।

(বুখারী, হা/৫২৮৬ ও মুসলিম)


২২) নবী করীম (সাঃ) মিষ্টি ওমধু খুব ভালো বাসতেন।

(বুখারী, হা:৫২৮০)


২৩) যারা আমার সুন্নতের প্রতি বিরাগ পোষন (অনিহা প্রকাশ) করবে, তারা আমার উম্মতের অন্তর্ভূক্ত নয়।

(সহীহ বুখারীঃ ৪৬৯৭)


২৪) যে ব্যক্তি বিদআত সৃষ্টি করবে ও আশ্রয় দিবে তার উপর আল্লাহ্‌ তা’আলার, ফেরেশতা ও সকল মানব সম্প্রদায়ের লানত ।

(সহীহ বুখারীঃ ৬৮০৮)


২৫) যার অন্তরে সরিষা সমপরিমাণ ঈমান আছে, সে জাহান্নামে যাবে না। আর যার অন্তরে সরিষা সমপরিমাণ অহংকার আছে সে জান্নাতে যাবে না।

(মুসলিম, মিশকাত হা/৫১০৮)


২৬) যে ঘরে কুকুর ও (প্রাণীর) ছবি থাকে,সে ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না।

(সহীহ বুখারীঃ ২৯৯৮, ৫৫২৫, মিশকাত হাঃ৪২৯৮)


২৭) তিন ব্যক্তির দিকে কিয়ামতের দিন আল্লাহ্‌ তাদের দিকে করুণার দৃষ্টি দিবেন না ও তাদের জন্য কঠিন শাস্তি- (ক) টাকনুর  নিচে কাপড় পরিধানকারী পুরুষ (খ) খোটাদানকারী (গ) মিথ্যা কসমে পণ্য বিক্রয়কারী।

(মুসলিম, মিশকাত হা/২৬৭৩)


২৮) যে ব্যক্তি মারা গেল অথচ জিহাদ করেনি এমনকি জিহাদের আকাঙ্ক্ষাও ব্যক্ত করেনি, সে মুনাফিকের ন্যায় মৃত্যুবরণ করল। ”

(সহীহ মুসলিমঃ ৪৭৭৯, নাসায়ীঃ ৩০৯৯)


২৯) আত্নীয়ের সাথে ভালো ব্যবহার করলে রিযিক ও হায়াত বৃদ্ধি পায়।

(সহীহ বুখারীঃ ৫৫৫৯,৫৫৬০)


৩০) কেউ সওয়াল থেকে পবিত্র থাকতে চাইলে আল্লাহ্‌ তাকে পবিত্র রাখেন। যে অমুখাপেক্ষী থাকতে চায়, আল্লাহ্‌ তাকে অমুখাপেক্ষী রাখেন এবং যে ধৈর্য ধারণ করতে চায়, আল্লাহ্‌ তাকে তাই দান করেন।

ধৈর্যের চায়ে অধিক ব্যাপক কিছু দান করা হয়নি।

(সহীহ বুখারী, হা/১৪৬৯, সহীহ মুসলিম , সহীহ আবু দাউদ, হা/১৬৪৪)


৩১) বিনা হিসেবে জান্নাতে যাবে (সত্তর হাজার) ওসব লোক যারা অশুভ অমঙ্গল চিহ্ন মানে না,, যারা মন্ত্রতন্ত্রের ধার ধারে না এবং আগুনে পোড়া লোহার দাগ লাগায় না ; বরং সদা সর্বদা তাদের পরোয়ারদেগারের উপর পূর্ণ ভরসা রাখে।

(সহীহ বুখারী, হাদিস ৫৩৪১,৬২৮,৬০৯৯)


৩২) যে ব্যক্তি নিষ্ঠার সাথে শহীদি মৃত্যু কামনা করে, আল্লাহ্‌ তাকে শহীদদের মর্যাদায় পৌছিয়ে দিবেন, যদিও সে তার বিছানায় মৃত্যুবরণ করে।

(সহীহ মুসলিমঃ ৪৭৭৮)


৩৩)  যখন কোন ব্যক্তি তার ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে তার জন্য দু’আ করে, তখন ফেরেশতাগণ বলেন, আমীন, এবং তোমার জন্যও অনুরুপ হবে।

(সহীহ মুসলিম ও আবু দাউদ,হাঃ১৫৩৪)


৩৪) কোন ব্যক্তির মন্দ হওয়ার জন্য অশ্লীল বাকচারী ও কৃপণ হওয়াই যথেষ্ট।

(আহমাদ, মিশকাত হা/৪৬৯৩)


৩৫) রাসূল বলেছেন: “যে ব্যক্তি প্রতি ফরয নামায শেষে আয়াতুল কুরসী পড়ে, তাহলে মৃত্যুর সাথে সাথে সে জান্নাতে 


৩৬) প্রত্যেক আদম সন্তানই গুনাহগার। আর গুনাহগারদের মধ্যে তওবাকারীগণ উত্তম। 

ইবনে মাজাহ-৪২৫১


৩৭) ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সূরা ইযা যুলযিলাতিল আরদু কুরআনের অর্ধেকের সমান, কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ এক-তৃতীয়াংশের সমান এবং কুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরূন এক-চতুর্থাংশের সমান।

জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২৮৯৪


৩৮) ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, যখন রমযানের শেষ দশক আসত তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর লুঙ্গি কষে নিতেন (বেশী বেশী ইবাদতের প্রস্তুতি নিতেন) এবং রাত্র জেগে থাকতেন ও পরিবার-পরিজনকে জাগিয়ে দিতেন।

সহিহ বুখারী, হাদিস নং ২০২৪


৩৯) ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা রমযানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল ক্বদ্‌রের অনুসন্ধান কর।

সহিহ বুখারী, হাদিস নং ২০১৭


৪০) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,“দুয়া ছাড়া অন্য কিছু মানুষের তাকদীর (বা ভাগ্যের) পরিবর্তন ঘটাতে পারে না, উত্তম আচরণ ছাড়া অন্য কিছু মানুষের হায়াত বৃদ্ধি করতে পারে না। আর মানুষের পাপের কারণে তাকে রিযক হতে বঞ্চিত রাখা হয়।” -[সুনানে ইবনে মাজাহ, মিশকাতঃ ৪৯২৫


প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই আপনাদের সমস্ত বন্ধুদের ইসলামিক গ্রুপে অ্যাড করুন 

এ কথাগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিন, যারা আপনার এ কথা শুনে আমল করবে, আপনিও তাদের আমলের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ্। 

কারণ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "ভালো কাজের পথপ্রদর্শনকারী আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, কিন্তু আমলকারীর সাওয়াবে কোনো ঘাটতি হবে না।" (মুসলিম, ২৬৭৪)


আমরা যা পড়লাম যা শিখলাম আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে আমল করার তৌফিক দান করুক আমীন

Post a Comment

[blogger]

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget